জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গীতি নৃত্যনাট্য চিত্রাঙ্গদা মঞ্চায়িত হয়েছে। মঙ্গলবার দিনব্যাপী নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠানটি হয় এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ মাঠে।
সকালে জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের শিল্পীরা তিন ঘণ্টা ব্যাপী গীতি আলেখ্য পরিবেশন করেন। শ্রেয়সী রায় এটা পরিচালনা করেন। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন প্রমা অবন্তী। এর আগে সকালে অপরাজিতা চৌধুরীর বেহেলার সুরে বর্ষ বরণের পর্দা ওঠে। তবলায় সঙ্গত করেন সানি দে। এরপর আবৃত্তিকার রাশেদ হাসান দরাজ কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথে কবিতা আবৃত্তি করেন।
দ্বিতীয় অধিবেশনে সুরধারা, সঞ্চারী সঙ্গীত নন্দন একাডেমি, দি একাডেমি অব ক্ল্যাসিকাল ফোক ডাম্স সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। চিত্রাঙ্গদা পরিবেশন করে অভ্যুদয় সংগীত অঙ্গনের শিল্পীরা গান নৃত্যের এক অনন্য আয়োজন চিত্রাঙ্গদা। দারুণ একটা পরিবেশনা ছিল। এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেন আবদুর রহিম, রাজেশ সাহা, কুহেলী দাশগুপ্তা, তন্দ্রা সিংহ ও শাশ্বত বিশ্বাস।
এর আগে বর্ষ বিদায়ের দিন সোমবার রাতে আলপনা করা হয় পরিষদের পক্ষ থেকে। বাংলা নববর্ষ আবাহন উপলক্ষে গানে গানে সড়ক আলপনা করেছে জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ চট্টগ্রাম শাখা| নগরের বৌদ্ধ মন্দির সড়কে সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় এই আলপনা উৎসবের উদ্বোধন করেন দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা| তাঁরা কালো পিচঢালা সড়ক তুলির আঁচড়ে রঙিন করে তোলেন| এ সময় পরিষদের সদস্যরা গানে গানে মাতিয়ে রাখেন পুরো আয়োজনটিকে| তাঁদের কণ্ঠে কখনো ভেসে আসে চিরায়ত বাংলা গান। ও আমার দেশের মাটি গানের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি শুরু হয়।
এর আগে সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথামালায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিল্পী অধ্যাপক কে এম এ কাইয়ুম, অধ্যাপক জাহেদ আলী চৌধুরী যুবরাজ, অধ্যাপক সৌমেন দাশ, অধ্যাপক ড. দ্বৈপায়ন সিকদার, অধ্যাপক কুন্তল বড়ুয়া, পরিষদের সহসভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শ্রেয়সী রায়, নিপ্পন পেইন্টের কর্মকর্তা উজ্জ্বল বড়ুয়া প্রমুখ। পরে নিপ্পন পেইন্টের সৌজন্যে বৌদ্ধ মন্দির সড়ক, ডিসি হিলের আশপাশে আলপনা আঁকা হয়।
অতিথি শিল্পীরা সড়কে তুলির আঁচড় দেন। এর পর গানের সুরে সুরে কালো পথ রঙে রঙে রাঙিয়ে তোলেন। #বিজ্ঞপ্তি